হারিয়ে যাওয়া কালি কলম Hariye Jawa Kali Kolom – মাধ্যমিক বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর | Madhyamik Bengali Question Answer
‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ শ্রীপান্থের একটি স্মৃতিনির্ভর ও তথ্যসমৃদ্ধ প্রবন্ধ। এই রচনায় পুরোনো দিনের কালি, কলম, দোয়াত এবং লেখার বিভিন্ন উপকরণের সঙ্গে লেখকের ব্যক্তিগত স্মৃতি সুন্দরভাবে মিশে গেছে। পাশাপাশি সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে কালি-কলমের ব্যবহার কীভাবে কমে এসেছে, সেই পরিবর্তনের কথাও এখানে উঠে এসেছে।
মাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষার জন্য এই প্রবন্ধের MCQ, অতিসংক্ষিপ্ত, সংক্ষিপ্ত এবং রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। নিচে বিষয়ভিত্তিকভাবে প্রশ্ন ও উত্তরগুলি সাজানো হয়েছে, যাতে পড়া ও revision দুটোই সহজ হয়।
হারিয়ে যাওয়া কালি কলম – প্রবন্ধ পরিচিতি
| শ্রেণি | দশম শ্রেণি (মাধ্যমিক) |
|---|---|
| বিষয় | বাংলা |
| রচনার নাম | হারিয়ে যাওয়া কালি কলম |
| লেখক | নিখিল সরকার (শ্রীপান্থ) |
| রচনার ধরন | প্রবন্ধ |
প্রবন্ধের মূল বিষয়
‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধের কেন্দ্রে রয়েছে কালি ও কলমের প্রতি লেখকের গভীর ভালোবাসা। একসময় লেখালেখির প্রধান উপকরণ ছিল কালি, কলম ও দোয়াত। কিন্তু আধুনিক প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে সেই পুরোনো উপকরণগুলির ব্যবহার ক্রমশ কমে এসেছে।
লেখক নিজের ছোটোবেলার অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বাঁশের কঞ্চির কলম, ঘরে তৈরি কালি, মাটির দোয়াত এবং কলাপাতায় লেখার স্মৃতি তুলে ধরেছেন। এরপর তিনি বিভিন্ন সময়ে ব্যবহৃত কলমের বিবর্তনের কথাও আলোচনা করেছেন।
MCQ Questions & Answers – হারিয়ে যাওয়া কালি কলম
(A) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
(B) সমরেশ বসু
(C) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
(D) নিখিল সরকার উত্তর: (D) নিখিল সরকার
(A) সরকারি অফিস
(B) পত্রিকা অফিস
(C) সওদাগরি অফিস
(D) বেসরকারি অফিস উত্তর: (B) পত্রিকা অফিস
(A) ঘড়ি
(B) চশমা
(C) কলম
(D) কাগজ উত্তর: (C) কলম
(A) হাতে নকল করে
(B) কম্পিউটারে টাইপ করে
(C) টাইপরাইটারে লিখে
(D) মুদ্রণযন্ত্রে ছাপিয়ে উত্তর: (B) কম্পিউটারে টাইপ করে
(A) পাখির পালক দিয়ে
(B) রোগা বাঁশের কঞ্চি দিয়ে
(C) লোহার শলাকা দিয়ে
(D) কাঠ দিয়ে উত্তর: (B) রোগা বাঁশের কঞ্চি দিয়ে
(A) কাগজে
(B) শালপাতায়
(C) কলাপাতায়
(D) পদ্মপাতায় উত্তর: (C) কলাপাতায়
(A) হরীতকী, সুপারি, এলাচ
(B) বহেড়া, হরীতকী, আমলকী
(C) আমলকী, সুপারি, এলাচ
(D) বহেড়া, সুপারি, আমলকী উত্তর: (B) বহেড়া, হরীতকী, আমলকী
(A) ছাই
(B) তেল
(C) কালি
(D) কাঠের গুঁড়ো উত্তর: (C) কালি
(A) লাউপাতা দিয়ে
(B) কচুপাতা দিয়ে
(C) শিউলিপাতা দিয়ে
(D) কুমড়োপাতা দিয়ে উত্তর: (A) লাউপাতা দিয়ে
(A) লোহার শলাকা
(B) ব্রোঞ্জের শলাকা
(C) তামার শলাকা
(D) রুপোর শলাকা উত্তর: (B) ব্রোঞ্জের শলাকা
(A) পালকের কলমে
(B) খাগের কলমে
(C) তুলিতে
(D) কঞ্চির কলমে উত্তর: (C) তুলিতে
(A) খাগের কলম
(B) পালকের কলম
(C) বাঁশের কলম
(D) ধাতুর কলম উত্তর: (B) পালকের কলম
(A) বাঙালি সাংবাদিকদের
(B) হিন্দি সাংবাদিকদের
(C) ইংরেজ সাংবাদিকদের
(D) শিক্ষকদের উত্তর: (A) বাঙালি সাংবাদিকদের
(A) লর্ড বেন্টিঙ্ক
(B) লর্ড কার্জন
(C) উইলিয়াম কেরি
(D) হেস্টিংস উত্তর: (B) লর্ড কার্জন
(A) ঝরনা কলম
(B) দোয়াত কলম
(C) খাগের কলম
(D) কঞ্চির কলম উত্তর: (A) ঝরনা কলম
(A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
(B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
(C) লুইস অ্যাডসন ওয়াটারম্যান
(D) অন্নদাশঙ্কর রায় উত্তর: (C) লুইস অ্যাডসন ওয়াটারম্যান
(A) ঝরনা পেন
(B) রিজার্ভার পেন
(C) কুইল পেন
(D) পাইলট পেন উত্তর: (B) রিজার্ভার পেন
(A) খাগের কলম
(B) কঞ্চির কলম
(C) পালকের কলম
(D) বল-পেন উত্তর: (D) বল-পেন
(A) টাইপিস্ট
(B) ক্যালিগ্রাফিস্ট
(C) স্টেনোগ্রাফার
(D) সাংবাদিক উত্তর: (B) ক্যালিগ্রাফিস্ট
(A) বক্তব্যের
(B) বন্দুকের
(C) তলোয়ারের
(D) কামানের উত্তর: (C) তলোয়ারের
অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর – Very Short Questions
সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর – Short Questions
রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর – Descriptive Questions
১. ‘কালগুণে বুঝিবা আজ আমরাও তাই’—‘আমরা’ কারা? লেখক কী বোঝাতে চেয়েছেন?
এখানে ‘আমরা’ বলতে মূলত সেইসব মানুষকে বোঝানো হয়েছে, যাঁরা একসময় কালি-কলমে লিখতেন কিন্তু সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন।
লেখক এমন এক সময়ের কথা বলেছেন যখন কালি, কলম ও মন—এই তিনের সমন্বয়ে লেখালেখি সম্পন্ন হত। কিন্তু তাঁর কর্মস্থলে তিনি ছাড়া প্রায় সবাই কম্পিউটারে লিখতেন। ফলে কালি-কলমের ব্যবহার সেখানে প্রায় অপ্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছিল।
এই পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে লেখক বোঝাতে চেয়েছেন যে প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের পুরোনো অভ্যাস ও লেখার উপকরণও হারিয়ে যাচ্ছে। তাই কালি-কলমের ব্যবহার কমে যাওয়ার মধ্যে তিনি নিজের সময়ের পরিবর্তনের ছবিও দেখতে পেয়েছেন।
২. ‘আমরা কালিও তৈরি করতাম নিজেরাই’—কালি তৈরির পদ্ধতি আলোচনা করো।
লেখকের ছোটোবেলায় কালি কেনা হত না; বাড়িতেই কালি তৈরি করা হত। কাঠের উনুনে রান্না করার ফলে কড়াইয়ের তলায় যে কালি জমত, তা লাউপাতা দিয়ে ঘষে তুলে নেওয়া হত। এরপর সেই কালি জলে গুলে নেওয়া হত।
কালি আরও ভালো করার জন্য কখনও হরীতকী ঘষে বা পোড়া আতপচাল গুঁড়ো করে মেশানো হত। সবশেষে একটি লোহার খুন্তি আগুনে লাল করে সেই জলে ডোবানো হত। ঠান্ডা হওয়ার পর কাপড়ে ছেঁকে কালি দোয়াতে রাখা হত।
প্রবন্ধে প্রাচীনদের আরও একটি উন্নত কালি তৈরির পদ্ধতির উল্লেখ রয়েছে। তিল, ত্রিফলা ও শিমুলের ছাল ছাগলের দুধে মিশিয়ে লোহার পাত্রে রেখে লোহার দণ্ড দিয়ে ঘষে কালি তৈরি করা হত।
৩. লেখক যদি জিশু খ্রিস্টের আগে জন্মাতেন তাহলে কী হত?
লেখক কল্পনা করেছেন, তিনি যদি জিশু খ্রিস্টের জন্মের আগের সময়ে জন্মাতেন, তাহলে বর্তমান যুগের কালি-কলম তাঁর হাতে থাকত না। তিনি হয়তো প্রাচীন মিশরীয়দের মতো নলখাগড়া দিয়ে কলম তৈরি করতেন।
আবার ফিনিসীয়দের মতো হলে বন থেকে হাড় সংগ্রহ করে তা দিয়ে লেখার উপকরণ তৈরি করতে পারতেন। আর যদি তিনি জুলিয়াস সিজারের সময়ে জন্মাতেন, তাহলে তাঁর হাতে থাকত ব্রোঞ্জের শলাকা—যার নাম স্টাইলাস।
এই কল্পনার মাধ্যমে লেখক আসলে কলমের দীর্ঘ বিবর্তনের ইতিহাসকে সহজ ও রসিক ভঙ্গিতে পাঠকের সামনে তুলে ধরেছেন।
৪. ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে বিভিন্ন ধরনের কলমের বর্ণনা দাও।
প্রবন্ধে বিভিন্ন যুগে ব্যবহৃত নানা ধরনের লেখার উপকরণের কথা বলা হয়েছে। লেখকের নিজের শৈশবে রোগা বাঁশের কঞ্চি কেটে কলম তৈরি করা হত। তার আগে বিভিন্ন সভ্যতায় নলখাগড়া, হাড় প্রভৃতি দিয়ে লেখার উপকরণ তৈরি করা হত।
রোমানদের ক্ষেত্রে ব্রোঞ্জের শলাকা বা স্টাইলাসের উল্লেখ রয়েছে। চিনারা তুলিতে লিখতেন। আবার পাখির পালক থেকে তৈরি কলমকে বলা হত কুইল। খাগের কলমও বাংলার ঐতিহ্যবাহী লেখার উপকরণ হিসেবে প্রবন্ধে এসেছে।
আধুনিক যুগে ফাউন্টেন পেন বা ঝরনা কলম লেখার জগতে বড় পরিবর্তন আনে। পরে বল-পেনের প্রচলন ঘটে। এভাবেই লেখক কলমের বিবর্তনের একটি দীর্ঘ যাত্রাপথ তুলে ধরেছেন।
৫. ফাউন্টেন পেনের জন্মবৃত্তান্ত সংক্ষেপে লেখো।
ফাউন্টেন পেনের স্রষ্টা হিসেবে লুইস অ্যাডসন ওয়াটারম্যানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রবন্ধে বলা হয়েছে, একটি ব্যবসায়িক চুক্তিতে স্বাক্ষর করার সময় কালি ভর্তি দোয়াত উল্টে যাওয়ার কারণে ওয়াটারম্যান সমস্যায় পড়েছিলেন। এর ফলে চুক্তির সুযোগও তাঁর হাতছাড়া হয়।
এই অভিজ্ঞতা তাঁকে এমন একটি কলম তৈরির কথা ভাবায়, যাতে আলাদা করে দোয়াত বহন করার প্রয়োজন হবে না এবং কালি নিয়ন্ত্রিতভাবে কলম থেকে বের হবে। তাঁর প্রচেষ্টার ফলেই ফাউন্টেন পেনের উন্নত রূপ তৈরি হয়।
বাংলায় এই কলমের সুন্দর নাম হয় ‘ঝরনা কলম’।
৬. লেখকের প্রথম ফাউন্টেন পেন কেনার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করো।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কয়েক বছর পর লেখক কলেজ স্ট্রিটের একটি নামী দোকানে ফাউন্টেন পেন কিনতে গিয়েছিলেন। দোকানদার তাঁকে বিভিন্ন ধরনের পেনের নাম ও দাম বলতে থাকেন। লেখকের আর্থিক অবস্থার কথা বুঝে দোকানদার তাঁকে তুলনামূলক সস্তা একটি জাপানি পাইলট পেন নেওয়ার পরামর্শ দেন।
পেনটির শক্তি বোঝাতে দোকানদার সেটিকে একটি শক্ত বোর্ডের দিকে ছুড়ে দেন। তারপর পেনটি অক্ষত অবস্থায় বের করে দেখান। এই ঘটনায় লেখক পেনটির প্রতি আকৃষ্ট হন এবং শেষ পর্যন্ত সেই জাপানি পাইলট পেনটি কিনে বাড়ি ফেরেন।
৭. ‘আমি ছিলাম কালি-কলমের ভক্ত’—উক্তিটির তাৎপর্য কী?
এই উক্তির মাধ্যমে লেখক তাঁর কালি-কলমের প্রতি গভীর ভালোবাসার কথা প্রকাশ করেছেন। দোয়াত, নিব এবং কালি দিয়ে লেখা কলম তাঁর কাছে শুধু লেখার যন্ত্র ছিল না, বরং আনন্দ ও সৃষ্টিশীলতার অংশ ছিল।
ফাউন্টেন পেনের নিবেরও বিভিন্ন বৈচিত্র্য ছিল। কোথাও সরু নিব, কোথাও চওড়া নিব ব্যবহার করা হত। উন্নত ও টেকসই নিব তৈরিতে গোরুর শিং, কচ্ছপের খোল প্রভৃতি উপকরণের কথাও প্রবন্ধে এসেছে। দামি নিবকে আরও আকর্ষণীয় করতে কখনও মূল্যবান ধাতু ব্যবহারের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
৮. ‘দোয়াত যে কত রকমের হতে পারে’—দোয়াতের বৈচিত্র্য আলোচনা করো।
প্রবন্ধে দোয়াতের নানা ধরনের উপকরণ ও বৈচিত্র্যের কথা বলা হয়েছে। মাটি, কাচ, কাট-গ্লাস, পোর্সেলিন, শ্বেতপাথর, জেড, পিতল, ব্রোঞ্জ, ভেড়ার শিং এমনকি সোনা দিয়েও দোয়াত তৈরি হত।
একসময় ভালো ফল করা ছাত্রছাত্রীদের গুরুজনেরা ‘সোনার দোয়াত-কলম হোক’ বলে আশীর্বাদ করতেন। লেখক পরে সোনার দোয়াতের বাস্তব অস্তিত্বও দেখেছিলেন। এই দোয়াতগুলির সঙ্গে সাহিত্য ও ইতিহাসের নানা স্মৃতিও জড়িয়ে ছিল।
৯. ক্যালিগ্রাফিস্টদের কী বলা হত এবং তাঁদের সম্মান কেমন ছিল?
দক্ষ ওস্তাদ কলমবাজ বা লিপিকুশলীদের ক্যালিগ্রাফিস্ট বলা হত। তাঁদের হাতের লেখা ছিল অত্যন্ত সুন্দর, পরিপাটি এবং শৈল্পিক। প্রাচীন ও মধ্যযুগে সুন্দর হাতের লেখার বিশেষ মূল্য ছিল।
মোগল দরবারে তাঁদের যথেষ্ট সম্মান ছিল। রাজা, জমিদার এবং সাধারণ মানুষও পুঁথি নকল করার কাজে তাঁদের সাহায্য নিতেন। তাঁদের লেখা পুঁথির অক্ষর ছিল সুন্দর ও সুশৃঙ্খল। যদিও তাঁদের উপার্জন সবসময় বেশি ছিল না, তাঁদের লেখার দক্ষতার যথেষ্ট মর্যাদা ছিল।
১০. ‘কলমকে বলা হয় তলোয়ারের চেয়েও শক্তিধর’—ব্যাখ্যা করো।
কলমের শক্তি বলতে এখানে লেখনীর শক্তি বা চিন্তাকে প্রকাশ করার ক্ষমতাকে বোঝানো হয়েছে। তলোয়ার বা অন্য কোনো অস্ত্র দিয়ে মানুষের শরীরকে আঘাত করা যায়, কিন্তু শক্তিশালী লেখা মানুষের চিন্তা, বিশ্বাস ও আদর্শকে প্রভাবিত করতে পারে।
একজন লেখকের লেখা বহু মানুষের মনে পরিবর্তন আনতে পারে এবং সেই প্রভাব দীর্ঘ সময় ধরে থাকতে পারে। তাই লেখক রসিকতার সঙ্গে কলমকে তলোয়ারের চেয়েও শক্তিশালী বলেছেন।
পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি এক নজরে
| লেখকের নাম | নিখিল সরকার |
|---|---|
| ছদ্মনাম | শ্রীপান্থ |
| প্রবন্ধের বিষয় | কালি, কলম ও লেখার উপকরণের বিবর্তন |
| পুরোনো কলম | বাঁশের কঞ্চির কলম, খাগের কলম, পালকের কলম |
| প্রাচীন লেখার উপকরণ | নলখাগড়া, হাড়, স্টাইলাস |
| ফাউন্টেন পেনের বাংলা নাম | ঝরনা কলম |
| ফাউন্টেন পেনের স্রষ্টা | লুইস অ্যাডসন ওয়াটারম্যান |
| ফাউন্টেন পেনের প্রাথমিক নাম | রিজার্ভার পেন |
| পালকের কলমের নাম | কুইল |
| দক্ষ লিপিকুশলী | ক্যালিগ্রাফিস্ট |
উপসংহার
‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ শুধু পুরোনো লেখার উপকরণের স্মৃতিচারণ নয়। এর মধ্যে লুকিয়ে আছে সময়ের পরিবর্তন, প্রযুক্তির অগ্রগতি এবং মানুষের সঙ্গে লেখার উপকরণের দীর্ঘ সম্পর্কের গল্প। লেখক শৈশবের কালি-কলমের স্মৃতিকে কেন্দ্র করে কলমের বিবর্তনের একটি বিস্তৃত ছবি এঁকেছেন।
আধুনিক যুগে কম্পিউটার ও অন্যান্য প্রযুক্তি লেখালেখিকে সহজ করেছে। কিন্তু সেই সুবিধার পাশাপাশি পুরোনো কালি-কলমের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা আবেগ ও স্মৃতিও ধীরে ধীরে দূরে সরে যাচ্ছে। এই হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যের জন্যই প্রবন্ধটির নাম যথার্থভাবে ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’।
